সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন


ভারতের বাজারে নিজেদের উপস্থিতি বাড়াচ্ছে কোয়ালকম। এর অংশ হিসেবে চেন্নাইয়ে ১৭৭ কোটি read more

প্রায় ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে লেখা সম্পাদনায় উইন্ডোজের সঙ্গী ছিল ওয়ার্ডপ্যাড। read more

বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান সব ক’টি রাজনৈতিক দল read more

কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা-ভারতের মধ্যকার টেস্টের পিচ সম্পর্কে মন্তব্য করেছে আন্তর্জাতিক read more

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলায় মৃতের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে। গত read more

কৌশলগত অংশীদারিত্বের অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চীন read more

স্মার্টফোন ব্যবহারের দিক থেকে তরুণদের কাছে গেমিং অন্যতম। ভবিষ্যতে এর পরিধি আরো read more

প্রায় ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে লেখা সম্পাদনায় উইন্ডোজের সঙ্গী ছিল ওয়ার্ডপ্যাড। read more

ভারতীয় চলচ্চিত্রের সাথে রাজনীতির যোগ অনেক পুরনো। বিভিন্ন সময় চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পীরা বিধানসভা, read more

সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাতসহ বিভিন্ন কারণে বিশ্ববাজারে আইফোনের চাহিদা কমছে। বাজার হিস্যাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছে অ্যাপল। তবে বাজার বিশ্লেষক ও প্রযুক্তিবিদদের অভিমত, আইফোনের বিক্রি বাড়াতে ও প্রবৃদ্ধি অর্জনে বড় সহায়ক হিসেবে কাজ করবে ভারতের স্মার্টফোন বাজার। খবর ইটি টেলিকম। ইন্টারন্যাশনাল ডাটা করপোরেশনের (আইডিসি) পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০২৪ সালে ভারতে আইফোন বিক্রি ১০-১৫ শতাংশ বাড়বে। অন্যদিকে কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের তথ্যানুযায়ী এর হার ২৫-২৬ শতাংশ বাড়বে। মূলত আইফোনের দাম নাগালের মধ্যে থাকায় এবং ৩০ মাস পর্যন্ত ইনস্টলমেন্ট সুবিধা থাকায় বিক্রি বাড়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। আরেকটি বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যানালিস জানায়, ২০২৩ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়া প্রান্তিকে বলা হয়েছিল যে ২০২৪ সালে ভারতে বছরওয়ারি হিসেবে আইফোন বিক্রি ৩০ শতাংশ বাড়বে। এমন একটি সময়ে এ পূর্বাভাস দেয়া হলো যখন কুপারটিনোর প্রযুক্তি জায়ান্টটি বছরের শুরুতে ১৭ হাজার ৬০০ কোটি ডলার লোকসান গুনেছে। বিশেষ করে পণ্যের চাহিদা কমে যাওয়ার শঙ্কায় চলতি সপ্তাহে অ্যাপলের পণ্যের মজুদ কমিয়েছে দ্বিতীয় ব্রোকারেজ কোম্পানি পাইপার স্যান্ডলার। অন্যান্য উদীয়মান বাজার বিবেচনায় ভারতে ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে অ্যাপলের কাছে আরো উপায় রয়েছে। আইডিসির তথ্যানুযায়ী, দেশটির বাজারে অ্যাপলের প্রিমিয়াম সেগমেন্টের উপস্থিতি বা নিয়ন্ত্রণ হার ৮-১০ শতাংশ। এদিক বিবেচনায় এটি নিশ্চিত যে ৬৫-৭০ শতাংশ বিক্রিই অ্যাপলের। এছাড়া দেরিতে হলেও ভারতের বাজারে দ্রুত বর্ধনশীল খাত হচ্ছে এটি। কাউন্টারপয়েন্টের গবেষণা পরিচালক তরুণ পাঠক বলেন, ‘অ্যাপল হয়তো ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য এখনো সম্ভাবনার সব ক্ষেত্রে বিচরণ করতে পারেনি। এ বিষয়ে আমরা এখনো আশাবাদী।’ তিনি জানান, প্রথমবার যারা আইওএস ডিভাইস কিনেছে তারাও প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখছে। দীর্ঘমেয়াদে যারা ডিভাইস আপডেট করবে তাদের মাধ্যমে অ্যাপলের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি হবে। কেননা তারা অ্যাপলের পণ্যেই ভরসা রাখছে। কাউন্টারপয়েন্টের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে ভারতের বাজারে প্রিমিয়াম স্মার্টফোন ক্যাটাগরিতে অ্যাপলের হিস্যা ১৭ শতাংশ। এর হার বেড়ে ২৫-২৬ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে। সে হিসেবে বছরে বিক্রির পরিমাণ ৪ কোটি ৫০ থেকে ৫ কোটি ইউনিটে পৌঁছাবে, বর্তমানে যেখানে বিক্রীত ডিভাইসের সংখ্যা ২ কোটি থেকে ২ কোটি ২০ লাখের মধ্যে। ২০২০ সালে ভারতে আইফোন বিক্রি বছরওয়ারি হিসেবে ৯৩ শতাংশ বেড়ে ২৭ লাখ ইউনিট ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ২০২১ সালে তা আরো ৭৫ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৪৮ লাখ ছাড়িয়ে যায়। ২০২২ সালে বিক্রির পরিমাণ ৩৯ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ৬৭ লাখে নেমে আসে। গত বছর বিক্রির পরিমাণ ছিল ৯০ লাখ ইউনিট। ২০২৪ সালে ভারতের বাজারে অ্যাপলের আইফোন বিক্রি হার ১০-১৫ শতাংশ বাড়বে বলে পূর্বাভাস আইডিসির। তরুণ পাঠক বলেন, ‘প্রিমিয়ামাইজেশন বাস্তবায়নের জন্য অ্যাপলের হাতে চার বছর সময় রয়েছে। এর মধ্যে বাজেট অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের প্রিমিয়াম আইফোনের দিকে নিয়ে আসতে হবে।’ সে হিসেবে মন্দা দেখার আগে কোম্পানিটি আগামী পাঁচ বছর ১০-১৫ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি দেখতে পাবে। read more