শুক্রবার, ১২ Jun ২০২৬, ০৩:১৩ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

গুমের চেয়ে জঘন্যতম অপরাধ পৃথিবীতে আর কিছু নেই: মঈন খান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, মানুষকে খুন করলেও তার লাশ দেখে অন্তত কিছুটা স্বস্তি পায়, কেঁদে মনটা হালকা করতে পারে। কিন্তু গুম এমন একটি জিনিস তার লাশটাও পাওয়া যায় না। এ যে কি নিদারুণ কষ্ট তা ভুক্তভোগীর পরিবার ছাড়া কেউ উপলব্ধি করতে পারে না। এরচেয়ে ঘৃণিত ও জঘন্যতম অপরাধ এই পৃথিবীতে আর কিছু নেই।

মঙ্গলবার বিকেলে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সূত্রাপুর ও বংশাল এলাকায় গুম হয়ে যাওয়া বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের স্বজনদের সাথে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম এবং দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

মঈন বলেন, আজকে আমরা গুম হওয়া পরিবারের কোমলমতি স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে কিছু অনুদান পৌঁছে দিয়েছি।

তিনি বলেন, এ সরকারের আমলেই মানুষ গুম শব্দটি শুনেছে। এরা ক্ষমতাসীন হবার পর থেকেই বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলমের মত জনপ্রিয় নেতাদের গুম করার মাধ্যমে এদেশে গুমের রাজনীতি শুরু করেছে। এ থেকে গণতন্ত্রকামী জনগণকে রক্ষা করতে হলে মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে। আর এরজন্য প্রয়োজন আন্দোলন। আজ সকল রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এ স্বৈরাচারকে বিদায় করতে। এদেরকে বিতারিত করে জনগণকে গুম-খুনের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে।

সালাম তার বক্তব্যে বলেন, আজ গুম হওয়া পরিবারের কান্না দেখলে মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হলেও এ সরকারের কিছুই আসে যায় না। কারণ, তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। তাই খুন ও গুম করতে এদের বুক কাপে না। আজ যদি জবাবদিহিতা থাকতো তাহলে এসব ঘৃণিত অপরাধ করার সাহস সরকার পেত না। আর দেশে জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনার জন্যই বিএনপি সংগ্রাম করছে।

ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, এ সরকারের রোষানলে পড়ে যারাই খুন হয়েছেন, গুম হয়েছেন তারা গণতন্ত্রের সৈনিক। তাদের অপরাধ একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে রাজপথে নেমেছে। গুম-খুন করে সাময়িকভাবে জোর জবরদস্তি ক্ষমতায় থাকা যায়, কিন্তু ইতিহাস বলে তাদের বিদায় শুভকর হয় না।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল দক্ষিণের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন, শ্রমিক দল দক্ষিণের আহ্বায়ক সুমন ভূইয়া, মহানগর বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনূস মৃধা, মোশাররফ হোসেন খোকন, আবদুস সাত্তারসহ বিএনপি ও অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com