শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতির স্বল্প সময়ে আমরা প্রায় ৯ কোটি ব্যারেল তেল রফতানি করেছিলাম। কিন্তু এখন তা হচ্ছে না। নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের আমদানি-রফতানি ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ কমেছে। এরমধ্যে রফতানিই কমেছে বেশি। যারা বলেন নিষেধাজ্ঞার কোনো প্রভাব নেই, তাদের জন্য এই পরিসংখ্যানই যথেষ্ট।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যেসব দেশ ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করবে, তাদের কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। ফলে ইরানের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান ও ওমান যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।