রবিবার, ২৮ Jun ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ন


চীনে ২৫ বছরের মধ্যে বিদেশী বিনিয়োগ সর্বনিম্নে, যা দেশটির নীতিনির্ধারকদের রীতিমতো চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি চীনা হালকা প্রযুক্তি আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে এবং গুপ্তচরবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করেছে। খবর নিক্কেই এশিয়া। চীনের বিদেশী মুদ্রা বিনিময় বিভাগের প্রশাসক সম্প্রতি চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেছেন। এতে লেনেদেনের ভারসাম্য মেলানো যায়নি। সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) ১ হাজার ১৮০ কোটি ডলার কমেছে। আরো কয়েকটি কারখানায় বিনিয়োগ কাটছাঁট করা হচ্ছে। ১৯৯৮ সালের পর এ প্রথম অর্থনীতিতে নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ২০২২ সালের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে বিদেশী বিনিয়োগ মন্থর হওয়ার পর থেকে এটা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তখন জিরো কভিড-১৯ নীতির কারণে সাংহাইয়ে লকডাউন ছিল। চীনের অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছিল। চীনে অবস্থিত জাপানিজ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সদস্যদের গত সেপ্টেম্বরের জরিপ অনুসারে, জাপানি অর্ধেক কোম্পানি ২০২৩ সালে নতুন বিনিয়োগ করেনি। বাকি অর্ধেক বিনিয়োগ করলেও তা ২০২২ সালের তুলনায় কম। চীনে অবস্থিত আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স সম্প্রতি এক জরিপে দেখিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ায় চীনে বিদেশী বিনিয়োগ কমেছে। ৬৬ শতাংশ আমেরিকান ব্যবসায়ী দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনাকে ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন। যুক্তরাষ্ট্র গত আগস্টে চীনের চিপ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে। বেইজিংয়ের সহযোগিতায় ওয়াশিংটন নভেম্বরে একটি সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছে। যেখানে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও শি জিনপিং উপস্থিত থাকার কথা। কিন্তু অর্থনৈতিক নিরাপত্তার নামে প্রযুক্তি নিষেধাজ্ঞার পথ থেকে সরে আসবে না যুক্তরাষ্ট্র। চীন কৌশল হিসেবে হালকা প্রযুক্তি খাতে বিদেশী বিনিয়োগের নতুন গন্তব্য খুঁজছে। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান রোডিয়াম গ্রুপের প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের শেয়ারবাজারে সূচকের পতন শুরু হয়েছে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে উল্লম্ফন লক্ষ করা যাচ্ছে। কোনো কোনো শেয়ার শূন্য থেকে ৩৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। ভারত, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার যৌথ শেয়ার ১০-৩৮ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এরই মধ্যে গুপ্তচর বিরোধী চীনা আইন সংশোধন করা হয়েছে, যা জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। এসব উদ্যোগে চীনা কোম্পানিগুলো দুশ্চিন্তায় পড়েছে। জাপানের এনএলআই রিসার্চ ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক ইয়্যুসুকে ম্যুরা বলেন, ‘চীনা আইনে স্বচ্ছতার অভাব। এ কারণে দেশটির ব্যবসা-বাণিজ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কঠিন।’ কয়েকটি চীনা কোম্পানি প্রতিযোগিতা বাড়িয়েছে। এ কারণে বিদেশী কোম্পানিগুলো টিকতে পারছে না। বিশেষ করে মিৎসুবিশি মোটরসের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। সম্প্রতি কোম্পানিটি বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি তৈরিতে নজর দিয়েছে। অক্টোবরে কোম্পানিটি চীনে উৎপাদন কারখানা বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। এসব ঝুঁকি মোকাবেলায় চীনা সরকার এরই মধ্যে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। উৎপাদন খাতে বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে নীতিমালা আরো সহজ করেছে। read more

প্রভাবশালী বলিউড তারকা পরিবারের ঘরণী আরেক আলোচিত সুন্দরী ঐশ্বর্য রাই। ভারতীয় ফিল্ম read more

সাকিবের কাছে এই প্রশ্ন করা হবে অনুমেয়ই ছিল। সঞ্জয় মাঞ্জরেকার করলেনও তাই। read more

সীমান্তে চলমান অস্থিতিশীতা নিরসনে মিয়ানমারের সহযোগিতা চেয়েছে চীন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এ read more

হামাসের বিভিন্ন ধরনের ৪৫০টি সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে read more

সহজে বহনযোগ্য নতুন প্রজেক্টর নিয়ে এসেছে অ্যাংকার। নেবুলা ক্যাপসুল ৩ নামে এটি read more

সময়ের সঙ্গে প্রযুক্তি খাতেও পরিবর্তন আসছে। বিভিন্ন কোম্পানি নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছে ও সেগুলোকে পণ্য তৈরিতে ব্যবহার করছে। প্রযুক্তি খাতের মধ্যে স্মার্টফোন অনেক দূর এগিয়েছে। কোম্পানিগুলো নতুন উদ্ভাবনে মনোযোগী হলেও বিভিন্ন দেশের সরকার অধিবাসী তথা ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় নীতিমালা প্রণয়ন করছে। read more

ফিনিশ টেলিকম সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক নকিয়া ভারতের জন্য বড় পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে। ভবিষ্যতে read more

অনেক আগ থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের হাওয়া বদলাতে শুরু করে। এবার পুরোপুরি বদলে গেলো। read more

আজ নিজের জন্মদিনে ওয়ানডেতে শচীন টেন্ডুলকারের সর্বোচ্চ ৪৯ সেঞ্চুরির রেকর্ড স্পর্শ করেছেন read more