শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন


করোনা-টিকায় প্রথম ছাড়পত্র দিয়েছিল ব্রিটেন। তার পরে একে-একে আমেরিকা, কানাডা, ইজ়রায়েল, বাকি read more

করোনা সংক্রমণ রোধে আরোপিত কঠোর লকডাউন চলাকালে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ পরিহারে দেশবাসীকে আহ্বান read more

শুক্রবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য read more

ছয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল বন্ধের সিদ্ধান্ত বাতিলসহ বেশ কয়েকটি দাবিতে নোয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে read more

ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণের পর সুইজারল্যান্ডে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ওই ব্যক্তির মৃত্যুর read more

কভিড-১৯ মহামারীর কারণে দেশের নয় জেলার গ্রামীণ পরিবারগুলোয় খাদ্য সংকট তীব্র হতে পারে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (ইফপ্রি)। জেলাগুলো হচ্ছে সিলেট, সুনামগঞ্জ, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, পাবনা, ফরিদপুর, বাগেরহাট ও বরগুনা। মহামারীকালীন খাদ্যভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি নিয়ে সংস্থাটির পরিচালিত এক জরিপের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দারিদ্র্যপ্রবণতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধায় পিছিয়ে থাকার কারণেই এসব অঞ্চলের গ্রামীণ জনগোষ্ঠী খাদ্য সংকটে পড়বে। সরকারের নেয়া মহামারীকালীন খাদ্যবান্ধব এবং অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কার্যকরভাবে সুরক্ষা দিতে না পারলে এ সংকট দীর্ঘায়িত হবে। পণ্য পরিবহন ও বাজারের ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে—এ ধারণাকে তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে যাচাইয়ের জন্য ‘ফুড ইনসিকিউরিটি এক্সপেরিয়েন্স স্কেল’ নামে একটি পরিমাপক ব্যবহার করে দরিদ্র পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা পরিমাপ করেছেন ইফপ্রির গবেষকরা। গবেষণায় দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিম ও কেন্দ্রে অবস্থিত কিছু জেলায় উচ্চ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার প্রমাণ পেয়েছেন তারা। এর মধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জ, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, পাবনা, ফরিদপুর, বাগেরহাট ও বরগুনার গ্রামীণ পরিবারগুলোতে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা রয়েছে। নয়টি জেলায় খাদ্য সংকটের অঞ্চলভিত্তিক পার্থক্য রয়েছে। খাদ্য উৎপাদনের সুযোগ কমার পেছনে পার্থক্য যেমন রয়েছে, তেমনি অর্থনৈতিক সুযোগ প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও আঞ্চলিক বৈষম্য রয়েছে। এসব জেলায় শস্য বহুমুখিতা যেমন কম, তেমনি দারিদ্র্যের হারও বেশি। ধান নির্ভরতার কারণে আয় বৃদ্ধি করতে পারছে না এখানকার পরিবারগুলো। অন্যদিকে বেশকিছু অঞ্চল নদীভাঙন, লবণাক্ততা, খরা, বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে পিছিয়ে পড়ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, লবণাক্ততা, ফসলের নিবিড়তা বাড়াতে না পারা, জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই খাদ্য নিরাপত্তা অনেকটাই হুমকির মধ্যে রয়েছে সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায়। শস্য উৎপাদনে এ অঞ্চলে লবণাক্ততা ছাড়াও পানির স্বল্পতা যেমন রয়েছে, তেমনি পানির আধিক্যও রয়েছে। আবার সাম্প্রতিক সময়ে চিংড়ি ও পাট শিল্পও বিপর্যয়ে পড়েছে। ফলে মানুষের আয় কমে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে কভিডের পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় আমপানের কারণে খাদ্য নিরাপত্তা বেশ হুমকিতে পড়েছে। অন্যদিকে অবস্থাসম্পন্ন অঞ্চল হওয়া সত্ত্বেও মহামারী আর হাওড় অঞ্চলে জুন মাসের মৌসুমি বন্যার সম্মিলিত আঘাতে সিলেটেও এ প্রভাব প্রকট হয়েছে। যৌথভাবে গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সিডনির অর্থনীতির সহযোগী অধ্যাপক শ্যামল চৌধুরী এবং ইফপ্রি দক্ষিণ এশিয়া কার্যালয়ের পরিচালক শহীদুর রশিদ, রিসার্চ ফেলো কল্যাণী রঘুনাথন ও রিসার্চ অ্যানালিস্ট নাহিয়ান বিন খালেদ। read more

গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক মানুষের প্রাণ কেড়েছে চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া read more

বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হচ্ছে বিদেশে যাত্রীদের করোনা পরীক্ষার নতুন ফি। করোনা read more

‘পৃথিবীর কোথাও এই বয়সী মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে না। তাদের ট্রায়ালও হয়নি। read more

মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন’ read more