সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অবস্থানের মেয়াদ কিভাবে জানবেন, জানাল মার্কিন দূতাবাস অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো অনেক বড় ব্যাপার: টাইগার বোলিং কোচ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী লুট-অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হালান্ড-চেরকির জোড়া গোলে ম্যানসিটির দাপুটে জয় রোনালদোর গোলে আল নাসরের জয়, গড়লেন রেকর্ড টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের সেমিতে বাংলাদেশ এইচপি দল এআই ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না: প্রধান বিচারপতি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

বিজেপি ভারতের অভিশাপ: মমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : বিজেপি বাংলার পাপ, ভারতের অভিশাপ। বাংলার মানুষ কখনোও বিজেপিকে ক্ষমতায় আনবে না। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার দীঘায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব মন্তব্য করেন।

জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) ও নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (সিএবি) প্রসঙ্গে তিনি সবাইকে অভয় দিয়ে বলেন, কোন ভয় নেই, শান্তিতে থাকুন, বিতাড়িত হয়ার কোন প্রশ্নই নেই।

পশ্চিমবঙ্গের এ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এনআরসি ও সিএবি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে। সব রাজ্যের আলাদা আলাদা আবেগ রয়েছে। তবু ওরা গায়ের জোরে সব কিছু চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলায় আমাদের সরকার এনআরসি ও সিএবি কার্যকর করবে না। এখানে সকলেই নাগরিক।’

মমতা আরো বলেন, ‘আসামে আগুন জ্বলছে, অত্যাচার চলছে। আমি চাই জনগণ গণতান্ত্রিক কায়দায় এর প্রতিবাদ করুক। সব জায়গায় কাশ্মীরের কায়দায় সকলের মুখ বন্ধ করে দেওয়া যাবে না। ৫/৬ মাস ধরে মানুষকে জেলে বন্দি করা যাবে না।’

‘দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে অনেক দিকে নজর রেখে সংবিধান তৈরি হয়েছিল। হঠাৎ করে একটা রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এসে গায়ের জোরে সব নিয়ম পাল্টে দিচ্ছে, এটা হয় না। স্থিতিশীল পরিস্থিতি নষ্ট হচ্ছে, সাম্প্রদায়িকতার রঙ নিয়ে খেলা হচ্ছে’, বলেন মমতা।

এছাড়া এনআরসি ও সিএবি-এর প্রতিবাদে পরপর ৩ দিন মিছিলে হাঁটবেন পশ্চিমবঙ্গের এই মুখ্যমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ভারতে বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তাল পুরো দেশ। ৯ ডিসেম্বর সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় বিলটি পাশ হওয়ার পর উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে সংসদসহ সারা দেশে। তা উপেক্ষা করেই ১১ ডিসেম্বর বিলটি উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় তোলে বিজেপি সরকার। বিলে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করলেই তা আইনে পরিণত হবে।

এই আইনের ফলে আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ, জৈন, পার্সি, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী মানুষ, যারা ভারতে শরণার্থী হিসেবে রয়েছেন তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে বিপাকে পড়বে কয়েক কোটি মুসলমান। পার্স টুডে।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com