রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন

সিনেমা-সংগীতের ভুবনও রাঙিয়েছিলেন পেলে

পেলেকে হারিয়ে পুরো ফুটবল বিশ্ব এখন শোকে কাতর। ২১ বছরের ফুটবল ক্যারিয়ারে কত সব কীর্তি গড়েছেন তিনি। বিশ্বের একমাত্র ফুটবলার হিসেবে জিতেছেন তিনবার বিশ্বকাপ শিরোপা। তবে শুধু ফুটবল নয়, সিনেমার এবং সংগীতেও ছিল তার অবাধ বিচরণ।

এক শর বেশি গান লিখেছেন পেলে। তার এক অ্যালবাম এক লক্ষরও বেশি বিক্রি হয়েছিল। এমনকি সিনেমার জগতেও তার জাদু দেখেছে বিশ্ব।

পেলের প্রথম বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ ১৯৬২ সালে। ছবির নাম ‘কিং পেলে’। পরিচালক ছিলেন হুগো ক্রিস্টেনসেন। ওই বছরই দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপও এসেছিল তার হাতে।

পেলের জীবনের উল্লেখযোগ্য ছবি ‘ভিক্টরি’। ১৯৮১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ওই ছবি দিয়েই পেলে বুঝিয়েছিলেন তিনি যেখানেই হাত দেন, সেখানে সোনা ফলে। ত্রিনিদাদের এক সৈনিকের ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিকায় নির্মিত ওই ছবি।

১৯৮৬ সাল। সেবছর ফুটবল দুনিয়া পেয়ে যায় আরও এক সম্রাটকে। তিনি ডিয়েগো ম্যারাডোনা। ওই বছর পেলের আরও এক ছবি পর্দায় মুক্তি পেয়েছিল। নাম ‘দ্য ক্লামসিজ অ্যান্ড দ্য কিং অব সকার’। এ ছবিতে তিনি অভিনয় করেছিলেন এক ক্রীড়া সাংবাদিকের ভূমিকায়। সে ছবির ক্লাইম্যাক্সও ছিল দেখার মতো।

এ ছাড়াও ‘দিস ইজ পেলে’, ‘পেলে এটারনো’, ‘সিনে পেলে’ নামক বহু তথ্যচিত্রে দেখা গেছে তাকে। দেখা গেছে টিভি সোপ অপেরাতেওও। ‘দ্য স্ট্রেঞ্জারস’-নামক টিভি শো-তে দেখা গিয়েছিল পেলেকে। ওই শো-য়ে ফুটবলার নয়, তিনি অভিনয় করেছিলেন এক লেখকের চরিত্রে।

এ সবের মধ্যে বিখ্যাত অ্যালবাম ‘পেলেজিঞ্জা’র কথা ভুলে গেলে চলবে না। ২০০৬ সালে মুক্তি পেয়েছিল গানের ওই অ্যালবামটি। গানগুলোর সব কয়টাই লিখেছিলেন পেলে। ব্রাজিলের ডিভা এলিস রেজিনার সঙ্গেও একটি অ্যালবাম তৈরি করেছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com