শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন


চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় সাত জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন read more

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধ-বিরতি ও অঞ্চলটিতে অবৈধ দখলদারিত্ব বন্ধের read more

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সইয়ের উপযুক্ত সময় read more

গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকার বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা বেতন বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন। এ read more

ঢাকার মার্কিন দূতাবাসে ‘অসাধারণ প্রতিভাবান’ একটি দল রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন read more

খরার ক্ষতি কাটতে না কাটতে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত হয়েছে read more

ইসরায়েলে বেসামরিক ব্যক্তিদের হত্যার দায় অস্বীকার করেছেন হামাস নেতা মুসা আবু মারজুক। read more

মাত্র তিন মাসে উত্তর-পশ্চিম জিম্বাবুয়েতে ৩৫টি আফ্রিকান হাতির মৃত্যু সবাইকে চমকে দিয়েছিল। read more

চীনে ২৫ বছরের মধ্যে বিদেশী বিনিয়োগ সর্বনিম্নে, যা দেশটির নীতিনির্ধারকদের রীতিমতো চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি চীনা হালকা প্রযুক্তি আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে এবং গুপ্তচরবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করেছে। খবর নিক্কেই এশিয়া। চীনের বিদেশী মুদ্রা বিনিময় বিভাগের প্রশাসক সম্প্রতি চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেছেন। এতে লেনেদেনের ভারসাম্য মেলানো যায়নি। সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) ১ হাজার ১৮০ কোটি ডলার কমেছে। আরো কয়েকটি কারখানায় বিনিয়োগ কাটছাঁট করা হচ্ছে। ১৯৯৮ সালের পর এ প্রথম অর্থনীতিতে নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ২০২২ সালের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে বিদেশী বিনিয়োগ মন্থর হওয়ার পর থেকে এটা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তখন জিরো কভিড-১৯ নীতির কারণে সাংহাইয়ে লকডাউন ছিল। চীনের অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছিল। চীনে অবস্থিত জাপানিজ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সদস্যদের গত সেপ্টেম্বরের জরিপ অনুসারে, জাপানি অর্ধেক কোম্পানি ২০২৩ সালে নতুন বিনিয়োগ করেনি। বাকি অর্ধেক বিনিয়োগ করলেও তা ২০২২ সালের তুলনায় কম। চীনে অবস্থিত আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স সম্প্রতি এক জরিপে দেখিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ায় চীনে বিদেশী বিনিয়োগ কমেছে। ৬৬ শতাংশ আমেরিকান ব্যবসায়ী দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনাকে ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন। যুক্তরাষ্ট্র গত আগস্টে চীনের চিপ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে। বেইজিংয়ের সহযোগিতায় ওয়াশিংটন নভেম্বরে একটি সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছে। যেখানে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও শি জিনপিং উপস্থিত থাকার কথা। কিন্তু অর্থনৈতিক নিরাপত্তার নামে প্রযুক্তি নিষেধাজ্ঞার পথ থেকে সরে আসবে না যুক্তরাষ্ট্র। চীন কৌশল হিসেবে হালকা প্রযুক্তি খাতে বিদেশী বিনিয়োগের নতুন গন্তব্য খুঁজছে। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান রোডিয়াম গ্রুপের প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের শেয়ারবাজারে সূচকের পতন শুরু হয়েছে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে উল্লম্ফন লক্ষ করা যাচ্ছে। কোনো কোনো শেয়ার শূন্য থেকে ৩৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। ভারত, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার যৌথ শেয়ার ১০-৩৮ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এরই মধ্যে গুপ্তচর বিরোধী চীনা আইন সংশোধন করা হয়েছে, যা জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। এসব উদ্যোগে চীনা কোম্পানিগুলো দুশ্চিন্তায় পড়েছে। জাপানের এনএলআই রিসার্চ ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক ইয়্যুসুকে ম্যুরা বলেন, ‘চীনা আইনে স্বচ্ছতার অভাব। এ কারণে দেশটির ব্যবসা-বাণিজ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কঠিন।’ কয়েকটি চীনা কোম্পানি প্রতিযোগিতা বাড়িয়েছে। এ কারণে বিদেশী কোম্পানিগুলো টিকতে পারছে না। বিশেষ করে মিৎসুবিশি মোটরসের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। সম্প্রতি কোম্পানিটি বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি তৈরিতে নজর দিয়েছে। অক্টোবরে কোম্পানিটি চীনে উৎপাদন কারখানা বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। এসব ঝুঁকি মোকাবেলায় চীনা সরকার এরই মধ্যে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। উৎপাদন খাতে বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে নীতিমালা আরো সহজ করেছে। read more

মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির গতি কম দাবি করে এটি বল্গাহীন নয় বলে মন্তব্য করেছেন read more