শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল
অর্থনীতি

বাংলাদেশের আর্থিক স্থিতিশীলতাকে প্রাধান্য দেবে মার্কিন প্রতিনিধিদল

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, আর্থিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চাহিদা সহায়তার ওপর ওয়াশিংটনের দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্রের অফিসের একটি মিডিয়া নোটে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের read more

আয় ৯ শতাংশ বৃদ্ধির বিষয়ে আশাবাদী হুয়াওয়ে

যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য বিরোধের মধ্যেও ২০২৩ সালে হুয়াওয়ের স্মার্টফোন বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মোট আয় ৯ শতাংশ বেড়ে ৭০ হাজার কোটি ইয়েন (৯ হাজার ৮৫০ কোটি ডলার) ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে চীনের প্রযুুক্তি কোম্পানিটি। খবর রয়টার্স। ২০২২ সালে হুয়াওয়ের আয় ছিল ৬৪ হাজার ২৩০ কোটি ইয়েন। তবে ২০১৯ সালের ১২ হাজার ৩০০ কোটি ডলার আয়ের তুলনায় এটি কম। আয় বৃদ্ধির আশা বা পূর্বাভাসের মাধ্যমে একটি বিষয় পরিষ্কার বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। ২০১৯ সালে জটিল বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও উন্নত চিপ ব্যবহারে হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এত কিছুর পরও আয়ের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার মাধ্যমে কোম্পানিটি পুনরায় শক্তভাবে বাজারে ফিরে আসার সংকেত দিচ্ছে। বছর শেষে কর্মীদের উদ্দেশে দেয়া বার্তায় হুয়াওয়ের রোটেটিং চেয়ারম্যান কেন হু বলেন,

read more

রিজার্ভ বেড়ে ২১.৪৫ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ২১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।

read more

নানা প্রতিবন্ধকতায় আমদানি, কমছে রাজস্ব আহরণ

ডলারের বিনিময় হার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, এলসি-সংক্রান্ত জটিলতা, একক গ্রাহক ঋণসীমা সংকোচনসহ নানা জটিলতায় লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে কমছে রাজস্ব আহরণের পরিমাণ। এমন পরিস্থিতি ব্যবসায়ীদের যেমন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তেমনই বন্দর থেকে সরকারের আয়ও সংকোচনের মুখে পড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে এ বন্দরে ৩২ কোটি ৪৬ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২ কোটি ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে। ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা, ঋণ সংকটসহ নানা কারণে ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়েছেন। এমন বাস্তবতায় আমদানি কমিয়ে দিতে হচ্ছে। ফলে এ স্থলবন্দরে রাজস্ব আয় কমেছে। বুড়িমারী স্থলবন্দর কাস্টমস সূত্র জানায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে জুলাই-নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে ৩৫ কোটি ২ লাখ ৫৪ হাজার ৫০০ টাকা রাজস্ব আয় করা হয়। এর বিপরীতে আয় হয় ৫৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য মাসভিত্তিক রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়নি। বুড়িমারী স্থলবন্দর ব্যবহারকারী আমদানিকারক ব্যবসায়ী মেসার্স রাহি ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. তারেক ইসলাম বলেন, ‘গত অর্থবছরে ডলারের বিনিময় হারে অস্থিতিশীলতার কারণে এলসি বিল পরিশোধ করতে গিয়ে আমার প্রায় ৫০ লাখ টাকারও বেশি লোকসান হয়েছে। ব্যাংক ও এনজিও থেকে নেয়া পুঁজি শেষ হয়ে গেছে। এর পরও অল্প অল্প করে আমদানি করছি।’ এ ব্যবসায়ী আরো বলেন, ‘আগে এলসি খুলতে বেশি নগদ অর্থের প্রয়োজন হতো না। মাত্র ২৫ শতাংশ মার্জিনের টাকা জমা দিলেই এলসি খোলা যেত। কিন্তু এখন মার্জিনেরও বেশিসহ ১২৫ শতাংশ টাকা জমা দিলেও এলসি খুলতে পারমিশন নিতে হয়। এতে আরো বেশি সময় লাগছে। আমরা প্রত্যাশা করছি, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপরই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। তখন হয়তো সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। সবাই নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে।’ বুড়িমারী স্থলবন্দরের অপর ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবীর সওদাগর বলেন,

read more

রোববার ব্যাংকের সব ধরনের লেনদেন বন্ধ

ব্যাংক হলিডে উপলক্ষে আগামীকাল রোববার (৩১ ডিসেম্বর) ব্যাংকে সব ধরনের লেনদেন বন্ধ

read more

সর্বাধিক রফতানি প্রবৃদ্ধি তুরস্ক, চীন ও আরব আমিরাতে

অপ্রচলিত বাজারে সাম্প্রতিক মাসগুলোয় দেশের পোশাক রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের

read more

কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে খাদ্য ব্যবসায়ীদের ব্রান্ডিং করবে: খাদ্যসচিব

২৬ শে ডিসেম্বর ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ মঙ্গলবার বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও GAIN

read more

তাদের দাবি মানলে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে যাবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড এ কে মোমেন বলেছেন, সিপিডিতে অনেক রাশান অর্থনীতিবিদ আছেন, যারা

read more

দেড় বছরে পদ্মা সেতুর পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ১৪২ কোটি টাকা

পদ্মা সেতুতে যান চলাচল শুরুর দেড় বছর পূর্ণ হলো গতকাল। যানবাহন চলাচল

read more

শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়াবে আওয়ামী লীগ

নির্বাচিত হয়ে আওয়ামী লীগ আবারও সরকার গঠন করলে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়াবে এবং

read more

৮৮ শিল্প ইউনিটের ৮২টিই উৎপাদনে যেতে পারেনি

প্রকল্প গ্রহণের প্রায় এক দশক পর ২০১৭ সালে কাজ শেষ হয় চট্টগ্রামের মিরসরাই বিসিক শিল্পনগরীর। দুই বছরের মধ্যেই ৮৮ শিল্পোদ্যোক্তার মধ্যে সব প্লট বরাদ্দ দেয় বিসিক। কিন্তু প্রকল্প শেষ হওয়ার সাড়ে ছয় বছরেও উৎপাদনে যেতে পারেনি ৮২টি শিল্প ইউনিট। বর্তমানে মাত্র ছয়টি প্রতিষ্ঠান এ শিল্পনগরীতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, কভিড-১৯ মহামারীর প্রভাবে বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়ে দেশের শিল্প খাত। এরপর ব্যাংকে তারল্য সংকটের পাশাপাশি ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি, বৈশ্বিক ও স্থানীয় অর্থনীতিতে অস্থিরতা, ব্যাংক থেকে ঋণপ্রাপ্তিতে জটিলতাসহ নানামুখী চ্যালেঞ্জে গুরুত্বপূর্ণ এ শিল্পনগরীর কার্যক্রম শ্লথ। বিসিক সূত্রে জানা গেছে, ১৫ দশমিক ৩২ একর আয়তনের মিরসরাই বিসিক শিল্পনগরীতে এ-টাইপ প্লট ২৭টি, বি-টাইপ ৩৩টি ও সি-টাইপ প্লট ২৮টি। ২০১৭ সালে কাজ শেষ হওয়ার পর দরপত্র আহ্বান করলে ১১৪টি আবেদন জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে শিল্পোদ্যোক্তাদের ৮৮টি প্লট বরাদ্দ দেয় বিসিক চট্টগ্রাম জেলা প্লট বরাদ্দ কমিটি। পাঁচ বছরের মধ্যে নয়টি কিস্তিতে প্লটের টাকা পরিশোধ করতে পারবেন শিল্পোদ্যোক্তারা। এককালীনও প্লটের ইজারামূল্য পরিশোধের সুযোগ রাখা হয়। কিন্তু ১৪ শিল্পোদ্যোক্তা সময়মতো অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় প্লটগুলো শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরে ১৪টি প্লটের বিপরীতে ৫৬টি আবেদন জমা পড়ে। পুনরায় দরপত্র আহ্বান করে বাকি প্লটগুলো বুঝিয়ে দেয়া হয় ২০২২ সালে। প্লটের প্রতি বর্গফুট জমির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮০০ টাকা। শিল্পনগরীটিতে প্রকৌশল খাতে ১৯টি, খাদ্য ও খাদ্যজাত শিল্প খাতে ১৯, তৈরি পোশাক খাতে ১৬, সিরামিকস ও নন-মেটালিক খাতে তিন, কেমিক্যাল অ্যান্ড অ্যালাইড খাতে ১০, রাবার-লেদার অ্যান্ড অ্যালাইড খাতে চার, প্যাকেজিং খাতে আট এবং বন ও বনজ খাতে তিনটি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। উৎপাদনের জন্য গ্যাস, বিদ্যুৎসহ আনুষঙ্গিক সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র ৭ শতাংশ শিল্পোদ্যোক্তা কার্যক্রম শুরু করতে পেরেছেন। বিসিক কর্মকর্তারা বলছেন, মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলসংলগ্ন হওয়ায় নতুন এ বিসিকের জন্য উদ্যোক্তাদের আগ্রহ ছিল। কিন্তু দেশে একাধিক অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন ও কার্যক্রম শুরু হওয়া, শিল্প খাতে বিনিয়োগে নানা সংকটের কারণে অনেকেই ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। তাছাড়া দেশীয় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটের কারণে অবকাঠামোগত উন্নয়ন শুরু করেও উৎপাদনে যেতে ভয় পাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। তবে নির্বাচনের পর দেশের রাজনীতি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এলে মিরসরাই বিসিকের কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হবে বলে আশা করছেন তারা। এ বিষয়ে বিসিক চট্টগ্রামের উপমহাব্যবস্থাপক নিজাম উদ্দিন বণিক বার্তাকে বলেন, চট্টগ্রামের বিদ্যমান শিল্পনগরীগুলোর চেয়ে মিরসরাই বিসিক শিল্পনগরী গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরী ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সন্নিকটে হওয়ায় শিল্পদ্যোক্তাদের মধ্যেও এখানে বিনিয়োগে বেশ আগ্রহ ছিল। কিন্তু মিরসরাই বিসিকের প্লট বরাদ্দ দেয়ার পর পরই কভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। তার ওপর সাম্প্রতিক দেশীয় ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট নতুন শিল্প স্থাপনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। এর পরও বরাদ্দ নেয়া শিল্প প্লটগুলোয় নতুন কারখানা স্থাপনে কাজ করছে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। ছয়টি কারখানা চালুর পর নতুন করে আরো ছয়টি প্লটে অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয়েছে।

read more

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com