শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন


প্রকল্প গ্রহণের প্রায় এক দশক পর ২০১৭ সালে কাজ শেষ হয় চট্টগ্রামের মিরসরাই বিসিক শিল্পনগরীর। দুই বছরের মধ্যেই ৮৮ শিল্পোদ্যোক্তার মধ্যে সব প্লট বরাদ্দ দেয় বিসিক। কিন্তু প্রকল্প শেষ হওয়ার সাড়ে ছয় বছরেও উৎপাদনে যেতে পারেনি ৮২টি শিল্প ইউনিট। বর্তমানে মাত্র ছয়টি প্রতিষ্ঠান এ শিল্পনগরীতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, কভিড-১৯ মহামারীর প্রভাবে বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়ে দেশের শিল্প খাত। এরপর ব্যাংকে তারল্য সংকটের পাশাপাশি ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি, বৈশ্বিক ও স্থানীয় অর্থনীতিতে অস্থিরতা, ব্যাংক থেকে ঋণপ্রাপ্তিতে জটিলতাসহ নানামুখী চ্যালেঞ্জে গুরুত্বপূর্ণ এ শিল্পনগরীর কার্যক্রম শ্লথ। বিসিক সূত্রে জানা গেছে, ১৫ দশমিক ৩২ একর আয়তনের মিরসরাই বিসিক শিল্পনগরীতে এ-টাইপ প্লট ২৭টি, বি-টাইপ ৩৩টি ও সি-টাইপ প্লট ২৮টি। ২০১৭ সালে কাজ শেষ হওয়ার পর দরপত্র আহ্বান করলে ১১৪টি আবেদন জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে শিল্পোদ্যোক্তাদের ৮৮টি প্লট বরাদ্দ দেয় বিসিক চট্টগ্রাম জেলা প্লট বরাদ্দ কমিটি। পাঁচ বছরের মধ্যে নয়টি কিস্তিতে প্লটের টাকা পরিশোধ করতে পারবেন শিল্পোদ্যোক্তারা। এককালীনও প্লটের ইজারামূল্য পরিশোধের সুযোগ রাখা হয়। কিন্তু ১৪ শিল্পোদ্যোক্তা সময়মতো অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় প্লটগুলো শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরে ১৪টি প্লটের বিপরীতে ৫৬টি আবেদন জমা পড়ে। পুনরায় দরপত্র আহ্বান করে বাকি প্লটগুলো বুঝিয়ে দেয়া হয় ২০২২ সালে। প্লটের প্রতি বর্গফুট জমির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮০০ টাকা। শিল্পনগরীটিতে প্রকৌশল খাতে ১৯টি, খাদ্য ও খাদ্যজাত শিল্প খাতে ১৯, তৈরি পোশাক খাতে ১৬, সিরামিকস ও নন-মেটালিক খাতে তিন, কেমিক্যাল অ্যান্ড অ্যালাইড খাতে ১০, রাবার-লেদার অ্যান্ড অ্যালাইড খাতে চার, প্যাকেজিং খাতে আট এবং বন ও বনজ খাতে তিনটি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। উৎপাদনের জন্য গ্যাস, বিদ্যুৎসহ আনুষঙ্গিক সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র ৭ শতাংশ শিল্পোদ্যোক্তা কার্যক্রম শুরু করতে পেরেছেন। বিসিক কর্মকর্তারা বলছেন, মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলসংলগ্ন হওয়ায় নতুন এ বিসিকের জন্য উদ্যোক্তাদের আগ্রহ ছিল। কিন্তু দেশে একাধিক অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন ও কার্যক্রম শুরু হওয়া, শিল্প খাতে বিনিয়োগে নানা সংকটের কারণে অনেকেই ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। তাছাড়া দেশীয় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটের কারণে অবকাঠামোগত উন্নয়ন শুরু করেও উৎপাদনে যেতে ভয় পাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। তবে নির্বাচনের পর দেশের রাজনীতি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এলে মিরসরাই বিসিকের কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হবে বলে আশা করছেন তারা। এ বিষয়ে বিসিক চট্টগ্রামের উপমহাব্যবস্থাপক নিজাম উদ্দিন বণিক বার্তাকে বলেন, চট্টগ্রামের বিদ্যমান শিল্পনগরীগুলোর চেয়ে মিরসরাই বিসিক শিল্পনগরী গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরী ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সন্নিকটে হওয়ায় শিল্পদ্যোক্তাদের মধ্যেও এখানে বিনিয়োগে বেশ আগ্রহ ছিল। কিন্তু মিরসরাই বিসিকের প্লট বরাদ্দ দেয়ার পর পরই কভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। তার ওপর সাম্প্রতিক দেশীয় ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট নতুন শিল্প স্থাপনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। এর পরও বরাদ্দ নেয়া শিল্প প্লটগুলোয় নতুন কারখানা স্থাপনে কাজ করছে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। ছয়টি কারখানা চালুর পর নতুন করে আরো ছয়টি প্লটে অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয়েছে। read more

সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের জন্য প্রায় ৩.৫৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বার্ষিক নিয়মিত read more

প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান মেসার্স প্যাসিফিক ডেনিমওয়্যার লিমিটেড ৫ কোটি ৪৫ লাখ read more

বিশ্ব শ্রমবাজারে দক্ষ নারী শ্রমিক সংখ্যা বৃদ্ধি ও দক্ষ নারী শ্রমিকদেও প্রতিযোগিতামুলক read more

১৫৬ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এলো read more

মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হওয়া ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে তাদের মাতৃভূমিতে মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের read more

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে ধানমন্ডিতে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০২৩-২৪: read more

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে গাজা প্রস্তাব পাশ হয়েছে। গাজা উপত্যকায় আরও অধিক মানবিক read more

আগামী বছর চীনের অর্থনীতিতে ধীরগতি থাকলেও অপেক্ষাকৃত ভালো অবস্থানে থাকবে দেশটির প্রতিবেশী ভারতের অর্থনীতি। বছরটিতে চীনে প্রবৃদ্ধি মাঝারি পর্যায়ে থাকবে। অন্যদিকে বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সমর্থ হবে ভারত। এমনটাই মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল স্ট্রিটের বিশেষজ্ঞরা। খবর নিক্কেই এশিয়া। কভিড মহামারীর পর থেকেই নিজ নিজ দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে মরিয়া হয়ে উঠেছে বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতির দেশগুলো। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এ দৌড় থেকে পিছিয়ে নেই এশিয়ার দেশগুলোও। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মতে, চীনের কঠোর শূন্য কভিড বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার পর গত বছর দেশটিতে ৩ শতাংশ মাঝারি আকারের প্রবৃদ্ধি হয়। ২০২৩ সালে ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। তবে এ বছর দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর ছিল। মহামারীর আগের দশকে চীনের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) গড়ে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছিল। ইউবিএস (ইউনিয়ন ব্যাংক অব সুইজারল্যান্ড) জানিয়েছে, ‘চীনের পুরনো প্রবৃদ্ধি মডেলের সীমাবদ্ধতার কারণে সম্ভবত গত দুই দশকের স্ট্যান্ডার্ডের তুলনায় ধীর প্রবৃদ্ধি দেখতে পাবে দেশটি।’ ২০০০-১০ সাল পর্যন্ত চীনের গড় প্রবৃদ্ধি ছিল দুই ডিজিটের ঘরে। তবে এ দশকে তুলনামূলক কম বা গড়ে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির অনুমান করছে ইউবিএস। এর মূল কারণ রফতানি, সম্পদে বিনিয়োগ ও কম খরচে উৎপাদনসহ দেশটির অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তিগুলো ধীর হয়ে গেছে। তবে ইউবিএস বলছে, উচ্চমূল্যের সামগ্রী উৎপাদন ও বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) মতো সবুজ প্রযুক্তির কারণে প্রবৃদ্ধি টেকসই হবে। চীনে বিস্তৃত কাঠামোগত সমস্যা রয়ে গেছে। কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। সরবরাহ শৃঙ্খলে বৈচিত্র্য আনার চাপ বাড়ছে। স্বল্পমেয়াদে দেশটির অর্থনীতির গতি এরই মধ্যে তলানিতে ঠেকেছে। ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রবৃদ্ধির টানাপড়েন মোকাবেলা করার জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কার ত্বরান্বিত করতে দেশটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। অন্যদিকে ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া নতুন সাপ্লাই চেইন থেকে উপকার পাবে। ২০২৪ সালে দ্রুততম ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির দেশগুলোর একটিতে পরিণত হবে ভারত। এ প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে কৃষি থেকে শুরু করে নানা পরিষেবা পর্যন্ত বিস্তৃত শিল্পের প্রসার। এছাড়া পুঁজিপ্রবাহের জন্য বিনিয়োগকারীরা চীনের বিকল্প হিসেবে ভারতকে বেছে নিতে পারেন। read more

জাহাজে পণ্য পরিবহনের জন্য বরাদ্দপত্র দেয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে জাহাজ read more