শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৪:৪৪ অপরাহ্ন


সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের জন্য প্রায় ৩.৫৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বার্ষিক নিয়মিত read more

প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান মেসার্স প্যাসিফিক ডেনিমওয়্যার লিমিটেড ৫ কোটি ৪৫ লাখ read more

বিশ্ব শ্রমবাজারে দক্ষ নারী শ্রমিক সংখ্যা বৃদ্ধি ও দক্ষ নারী শ্রমিকদেও প্রতিযোগিতামুলক read more

১৫৬ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এলো read more

মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হওয়া ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে তাদের মাতৃভূমিতে মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের read more

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে ধানমন্ডিতে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০২৩-২৪: read more

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে গাজা প্রস্তাব পাশ হয়েছে। গাজা উপত্যকায় আরও অধিক মানবিক read more

আগামী বছর চীনের অর্থনীতিতে ধীরগতি থাকলেও অপেক্ষাকৃত ভালো অবস্থানে থাকবে দেশটির প্রতিবেশী ভারতের অর্থনীতি। বছরটিতে চীনে প্রবৃদ্ধি মাঝারি পর্যায়ে থাকবে। অন্যদিকে বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সমর্থ হবে ভারত। এমনটাই মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল স্ট্রিটের বিশেষজ্ঞরা। খবর নিক্কেই এশিয়া। কভিড মহামারীর পর থেকেই নিজ নিজ দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে মরিয়া হয়ে উঠেছে বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতির দেশগুলো। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এ দৌড় থেকে পিছিয়ে নেই এশিয়ার দেশগুলোও। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মতে, চীনের কঠোর শূন্য কভিড বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার পর গত বছর দেশটিতে ৩ শতাংশ মাঝারি আকারের প্রবৃদ্ধি হয়। ২০২৩ সালে ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। তবে এ বছর দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর ছিল। মহামারীর আগের দশকে চীনের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) গড়ে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছিল। ইউবিএস (ইউনিয়ন ব্যাংক অব সুইজারল্যান্ড) জানিয়েছে, ‘চীনের পুরনো প্রবৃদ্ধি মডেলের সীমাবদ্ধতার কারণে সম্ভবত গত দুই দশকের স্ট্যান্ডার্ডের তুলনায় ধীর প্রবৃদ্ধি দেখতে পাবে দেশটি।’ ২০০০-১০ সাল পর্যন্ত চীনের গড় প্রবৃদ্ধি ছিল দুই ডিজিটের ঘরে। তবে এ দশকে তুলনামূলক কম বা গড়ে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির অনুমান করছে ইউবিএস। এর মূল কারণ রফতানি, সম্পদে বিনিয়োগ ও কম খরচে উৎপাদনসহ দেশটির অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তিগুলো ধীর হয়ে গেছে। তবে ইউবিএস বলছে, উচ্চমূল্যের সামগ্রী উৎপাদন ও বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) মতো সবুজ প্রযুক্তির কারণে প্রবৃদ্ধি টেকসই হবে। চীনে বিস্তৃত কাঠামোগত সমস্যা রয়ে গেছে। কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। সরবরাহ শৃঙ্খলে বৈচিত্র্য আনার চাপ বাড়ছে। স্বল্পমেয়াদে দেশটির অর্থনীতির গতি এরই মধ্যে তলানিতে ঠেকেছে। ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রবৃদ্ধির টানাপড়েন মোকাবেলা করার জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কার ত্বরান্বিত করতে দেশটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। অন্যদিকে ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া নতুন সাপ্লাই চেইন থেকে উপকার পাবে। ২০২৪ সালে দ্রুততম ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির দেশগুলোর একটিতে পরিণত হবে ভারত। এ প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে কৃষি থেকে শুরু করে নানা পরিষেবা পর্যন্ত বিস্তৃত শিল্পের প্রসার। এছাড়া পুঁজিপ্রবাহের জন্য বিনিয়োগকারীরা চীনের বিকল্প হিসেবে ভারতকে বেছে নিতে পারেন। read more

জাহাজে পণ্য পরিবহনের জন্য বরাদ্দপত্র দেয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে জাহাজ read more

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন হয় read more