সোমবার, ২০ Jul ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
৫ মাসে সরকারের সাফল্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচন: মাহদী আমিন আগস্টে ‘প্রবাসী কার্ড’ প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার এপস্টিনের সঙ্গে ইসরায়েলি ডিপ স্টেট ও মার্কিন গোয়েন্দাদের যোগসূত্র ছিল : ভ্যান্স যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে পাকিস্তানের জড়িয়ে পড়ার শঙ্কা হামলার শঙ্কায় কুয়েতে ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-মহাসড়ক দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ অর্থ পাচার না হলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যেত : প্রধানমন্ত্রী ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, ৮ অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্কতা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ভাতা বেড়েছে চার ক্যাটাগরি মুক্তিযোদ্ধাদের

ফ্যান্টাস্টিক কোহলিতে ম্লান পুরান-পোলার্ডের ঝড়

ক্রীড়া ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : টি-টোয়েন্টির মতো ওয়ানডে সিরিজও শেষ হলো একই ধরণে। প্রথমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়। পরেরটায় ভারতের ফিরে আসা। শেষটায় ভারতের আভিপত্য।

রোববার কটাকে ভারত ৪ উইকেটে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছে বিরাট কোহলির দল।

আগে ব্যাটিং করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫ উইকেটে ৩১৫ রান তোলে। জবাবে ভারত লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে ৮ বল হাতে রেখে। ওয়ানডে ক্রিকেটে এ নিয়ে ১৭ বার তিনশর বেশি রান তাড়া করে জয় পেল ভারত। তাদের ধারের কাছেও নেই অন্য কেউ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১ বার করেছে ইংল্যান্ড।

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে ভারত ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণ রেখেছিল। কিন্তু পঞ্চম উইকেটে জুটিতে সব হিসেব পাল্টে যায়। নিকোলাস পুরানকে সঙ্গে নিয়ে ১৩৫ রানের জুটি গড়েন পোলার্ড। ৩২ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ছিল ৪ উইকেটে ১৪৪। সেখন থেকে তারা ইনিংস শেষ করে ৩১৫ রান নিয়ে। শেষ ৮ ওভারে পুরান ও পোলার্ড ঝড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কোরবোর্ডে যোগ করে ১০৫ রান।

পুরানের ৬৪ বলে ৮৯ ও পোলার্ডের সাত ছক্কায় সাজানো ৫১ বলে ৭৪ রানের ইনিংসে বড় সংগ্রহ পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পুরান ১০ চার ও ৩ ছক্কায় সাজান সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি। এছাড়া টপ অর্ডারে শাই হোপ ৪২, রোস্টন চেজ ৩৮ ও শিমরন হেটমায়ার ৩৭ রান করেন।

অভিষিক্ত নবদ্বীপ যাদব ৫৮ রানে ২ উইকেট নিয়ে ছিলেন ভারতের সেরা বোলার। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন শার্দুল, শামি ও রবীন্দ্রর জাদেজা।

ভারত লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জবাব দেয় তিন হাফ সেঞ্চুরিতে। ওপেনিংয়ে রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুলের ১২২ রানের জুটি দেয় জয়ের ভিত। দুজনই পেয়ে যান হাফ সেঞ্চুরি। কিন্তু কেউই ইনিংস বড় করতে পারেননি। রোহিত ৬৩ বলে ৬৩ রান করে ফেরেন হোল্ডারের বলে। রাহুল পেসার জোসেফের বলে পুল করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ৭৭ রানে।

মিডল অর্ডারে ভারতের তিন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। শ্রেয়াস আইয়ার ও রিশাভ পান্ত ৭ রান করে আউট হন। কেদার যাদব সাজঘরে ফেরেন ৯ করে। চাপে থাকা ভারতকে ষষ্ঠ উইকেটে টেনে তোলেন কোহলি ও জাদেজা। দুজনের ৫৮ রানের জুটিতে ভারত এগিয়ে যায় জয়ের পথে।

কোহলির ব্যাট থেকে আরেকটি সেঞ্চুরির প্রত্যাশা করছিল সবাই। কিন্তু ভারতের অধিনায়ক পারেননি মাইলস্টোন ছুঁতে। ৮৫ রানে কেমো বলের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে উইকেটে টেনে আনেন কোহলি। ৮১ বলে ৯ চারে সাজানো তার ইনিংসটি শেষ হয় ওখানে। জয়ের থেকে তখন ৩০ রান দূরে ছিল ভারত। শার্দুল ঠাকুরের ৬ বলে ১৭ রানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সহজেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে টিম ইন্ডিয়া। জাদেজা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্যাটিংয়ে নেমে করেন ৩১ বলে ৩৯ রান।

ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন কোহলি, সিরিজ সেরা রোহিত শর্মা।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com