বৃহস্পতিবার, ১৬ Jul ২০২৬, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
বিনোদন ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : সদ্য অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাব নির্বাচনে কার্যকরী সদস্য পদে প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করেছেন চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। নির্বাচনকেন্দ্রিক ব্যস্ততা, জয়ের আনন্দ ও বর্তমান কার্যক্রম নিয়ে ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।
নির্বাচনে জয়ী হলেন। কেমন লাগছে?
পপি: যে কোনো জয়ই আনন্দের। ফিল্ম ক্লাবের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হলাম। এজন্য আমি ক্লাবের সদস্য ও ভোটারদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি একাই নই, এবারের নির্বাচনে আমরা যারা সমমনা ছিলাম আনঅফিসিয়াল প্যানেলে, সবাই জয়ী হয়েছি। এজন্য ভালোলাগাটা একটু বেশি।
ফিল্ম ক্লাবের নির্বাচন দিয়ে সিনেমার উন্নয়ন কিংবা অগ্রগতি কতটুকু হবে বলে মনে করেন?
পপি: এটা আসলে সিনেমার উন্নয়ন বা অগ্রগতির সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো কিছু নয়। এটা মূলত সিনেমা সংশ্লিষ্ট মানুষজনের রিক্রিয়েশনবিষয়ক ক্লাব। নিজেদের মতো করে সবাই এখানে আমরা জমায়েত হতে পারি, নিজেদের বিষয়গুলো নিজেদের মধ্যে শেয়ার করতে পারি, এটাই।
ক্লাবের উন্নয়নে আপনাদের ভূমিকা কী থাকবে?
আমরা ইশতেহারে বলেছি, ক্লাবের উন্নয়নের জন্য যা যা করা দরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেটা করব। তবে সময় তো মাত্র এক বছর, তাই এ সময়ের মধ্যে যতটা করা সম্ভব সেটাই করার চেষ্টা করব।
কয়েক মাস আগে শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। সেটা নিয়ে বেশ বিতর্কও ছিল। সেই রেশ কি কেটেছে বলে মনে করেন?
পপি: শিল্পী সমিতি নিয়ে কথা বলতে চাই না। এ সমিতি কী আর আগের মতো আছে? এখানে যা হয় সবই স্বার্থসংশ্লিষ্ট। তাই এসব বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাতে চাই না।
শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অংশ না নিয়ে ফিল্ম ক্লাবের নির্বাচনে অংশ নিলেন। কেন?
পপি: শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ব্যক্তিগত কিছু কারণে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে এসেছি। প্রথমত, আমার সময় কম। তাছাড়া যেভাবে সমিতির নির্বাচন নিয়ে নানারকম কাদা ছোড়াছুড়ি চলছিল সেটার মধ্যে থাকতে চাইনি। নির্বাচন কী হয়েছে সেটা তো দেখতেই পেয়েছেন। সুতরাং সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্তটা যে ভালো ছিল নির্বাচনের পর আরও ভালোভাবে টের পেয়েছি। আর ফিল্ম ক্লাবে এসব নোংরামি নেই বললেই চলে।
বর্তমান ব্যস্ততা কী নিয়ে?
পপি: শুটিং করছি কয়েকটি ছবির। কাজ শেষ হয়ে আছে দুটি ছবির। ওয়েব সিরিজেও কাজের প্রস্তাব আছে। সবকিছুই স্বাভাবিক চলছে। এই কাজগুলো নিয়েই ব্যস্ত থাকতে চাই।
নগরকন্ঠ.কম/এআর