সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
তাসকিন আহমেদ অনায়াসেই বলে দিতে পারেন অস্ট্রেলিয়া তার প্রিয় ভেন্যু। এ কথার পক্ষে প্রমাণও আছে। ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে বেশ সফল ছিলেন তিনি। ৬ ম্যাচে নিয়েছিলেন ৯ উইকেট। এবার অস্ট্রেলিয়ায় মাত্র তিন ম্যাচেই তুলে নিলেন ৮ উইকেট। কাকতালীয় ব্যাপার, তিন ম্যাচেই প্রথম ওভারেই উইকেটের খাতা খোলেন। তাতে সুপার টুয়েলভে খেলা দলগুলোর মধ্যে সেরা উইকেটটেকার হয়ে গেছেন।
টুর্নামেন্টে দ্বিতীয়বার ম্যাচসেরা হয়েছেন তাসকিন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে এই প্রথম কোনো বাংলাদেশি একাধিকবার এই সম্মান পেলেন। করোনার সময়ের পরিশ্রমে ফিটনেসে দারুণ উন্নতি করেছেন তাসকিন। তাতে এই পেসারের গতিও বেড়েছে অনেক। অস্ট্রেলিয়ার গতিময় পিচে নিজেকে এবার সেরা রূপে মেলে ধরেছেন। কাল ম্যাচসেরার পুরস্কার নিতে আসা এ পেসার বলেন, ‘আমাদের দেশের পিচগুলো ধীর হয়। তাই সেখানে একজন পেসারকে একটু বেশি কষ্ট করতে হয়। উইকেটের জন্য অপেক্ষাও করতে হয়। এখানে আমরা পেসাররা বেশ ভালো সময় পার করছি। শুরুর মুভমেন্ট পাচ্ছি, সুইংও পাচ্ছি। একজন পেসার সবসময়ই এগুলো উপভোগ করবে। আমিও উপভোগ করছি। সবকিছু বেশ ভালো যাচ্ছে। আমাদের পেস বোলিং ইউনিটটা দারুণ এবং অ্যালান ডোনাল্ডের অধীনে আমরা দারুণ উন্নতি করছি। আশা করি সামনের ম্যাচগুলোতে আমরা আরও ভালো করতে পারব।’